আজ শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইং

সিলেটে মুক্তিযোদ্ধার নতুন স্বীকৃতি পাচ্ছেন ১৭৯ জন

দুই বছর ধরে কয়েক দফা যাচাই-বাছাই শেষে সারা দেশের এক হাজার ৩৭৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নতুন করে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে যাচ্ছে সরকার। এরমধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৫১, চট্টগ্রামে ৩২৪, রাজশাহীতে ১৯৯, ময়মনসিংহে ৫৬, সিলেটে ১৭৯ ও রংপুর বিভাগে ১০৬ জন। এরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হলেও এতদিন তাদের নাম গেজেটভুক্ত হয়নি। তাদের নামে ইস্যু করা হয়নি সনদ। ফলে তারা সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননি। উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের পর এবার তাদের নাম গেজেটভুক্তির সুপারিশ করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। ১০ ডিসেম্বর জামুকার ৬৬তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সিলেটে নতুন স্বীকৃতি পাওয়া মুক্তিযোদ্ধারা হলেন- সিলেট মহানগরের আব্দুল মছব্বির, শওকত আলী। সদর উপজেলার নুরুল ইসলাম, মো. আবুল কালাম, মৃত আজাদ মিয়া, ফারুক মিয়া, ছাদ উদ্দিন আহমদ, মঞ্জু রানী দেবনাথ, শক্তি দেবী কানন, মকদ্দছ আলী, সিরাজুল ইসলাম। বিয়ানীবাজার উপজেলার মৃত ভূপেন্দ্র মালাকার, মৃত আলাউদ্দিন চৌধুরী, বাবুল চন্দ্র ধর, খয়রুল ইসলাম চৌধুরী, মৃত মো. লুৎফুর রহমান, মৃত মো. তজমুল আলী আনসার। জকিগঞ্জ উপজেলার দেবেশ্বর নমশূদ্র। গোলাপগঞ্জের শহীদ ওয়াছিক আলী, মো. আব্দুর রাজ্জাক, মো. ওমর খৈয়াম চৌধুরী, মাসুক আলী, আনোয়ার হোসেন, মো. জিয়া উদ্দিন, নজরুল ইসলাম (লাল মিয়া), আব্দুর রহমান, মৃত মো. ফখরুল ইসলাম চৌধুরী। গোয়াইনঘাট উপজেলার দীপানন্দ চক্রবর্তী, মো. আব্দুল হালিম, মোহাম্মাদ ইব্রাহীম, আমির আলী, মো. আ. রহিম, এমএ রশীদ, মো. হাকিম আলী, শ্রী সিদাম দেবনাথ, মৃত চান মাহমুদ মিয়া, শহীদ আব্দুল গফুর। বিশ্বনাথ উপজেলার আব্দুল কাইয়ুম, আলকাছ আলী। জৈন্তাপুর উপজেলার জসিম উদ্দিন, আব্দুর রশিদ, মৃত মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. আব্দুল জলিল। দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তুরন মিয়া, মৃত পীর হাবিবুর রহমান, মো. নাসির উদ্দিন, জিতেন্দ্র কুমার মালাকার। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মো. সোলেমান মিয়া, আব্দুল জব্বার, মৃত দারগ আলী, মানিক লাল রায়, মৃত হীরেন্দ্র তালুকদার, মৃত আব্দুল লতিফ, ডা. তোছাদ্দক হোসেন তসু, মৃত আব্দুল হক, ইদ্রিস আলী, মৃত সিরাজুল ইসলাম, মো. জহিরুল ইসলাম, কাশেম আলী (আনসার)। দোয়ারাবাজার উপজেলার মো. আব্দুল খালেক, মো. আবু বকর ছিদ্দিক, মো. শুকুর আলী, মৃত মো. রমিজ উদ্দিন, মৃত সামছুল ইসলাম, মৃত উমেদ আলী, মো. আশক আলী, মো. ছিদ্দিকুর রহমান, আহমদ আলী, মৃত আসেক আলী, মো. আলা উদ্দিন, মৃত আবুল হাসেন খাঁন, মৃত আলাউদ্দিন, মৃত আব্দুল আহাদ, ছোরাব আলী, মৃত মছলন্দর আলী, মৃত ওমর আলী, মো. মন্তাজ, গোলাম মোস্তফা। বিশ্বম্ভরপুরের মৃত মো. হাবিবুর রহমান, মো. মেজবাহ উদ্দিন খাঁ, মৃত আলী মিয়া, মতি মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, নজির হোসেন, ধীরেন্দ্র কুমার সরকার, মৃত আবু চান, মো. ইদ্রিস, মৃত লিলু মিয়া, মো. ইন্তাজ আলী, সাহেব আলী। তাহিরপুরের মো. উস্তার আলী আখঞ্জী, ডা. লুৎফুর রহমান (লাল মিয়া), মরহুম রুকুনুজামান, মরহুম আলমাস উদ্দিন, মরহুম সুধীর চন্দ্র সরকার, মরহুম হোসেন আলী, মরহুম খসরু শেখ, মরহুম আব্দুছ ছাত্তার। জামালগঞ্জ উপজেলার মো. হারিছ আলী, মৃত মিছির আলী, মো. হরমুজ আলী। দিরাই উপজেলার মৃত লাল মোহন দাস, তৈয়ব মিয়া ফকির, মো. আবুল হোসেন, জোবেদ আলী, মো. গোলাম কবির চৌধুরী, আব্দুল হাফিজ, বীরেন্দ্র কুমার দাস, নিরঞ্জন দাস, মৃত চান্দ মিয়া, অমর চান্দ তালুকদার, মৃত বরদা কান্ত দাস, মো. সামছুল আলম, গজেন্দ্র কুমার দাস, হরেন্দ্র তালুকদার, মৃত শিরমনি দাস। ছাতক উপজেলার উস্তার আলী, উমা শংকর এষ চৌধুরী, মৃত চমক আলী, আব্দুল মানিক, মৃত জ্যোতির্ময় মুন্সি, আজাহার আলী।সূত্রঃযুগান্তর

এ বিভাগের আরোও সংবাদ